জাতীয়সন্দেশস্বাস্থ্যস্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল

গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই আছে ‘গলা চিপা’ অবস্থায়!

চারদিকে উন্নয়ন হলেও উন্নয়ন হয়নি সংস্কারের অভাবে বেহাল দশায় থাকা পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। ভবনটির জরাজীর্ণ অবস্থা দেখে বোঝার উপায় নেই এটা আসলেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নাকি ভূতের বাড়ি! ভবনের ছাদ থেকে প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে পলেস্তারা। বিকল্প কোনো জায়গার ব্যবস্থা না থাকায় এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই নিয়মিত চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। আর এখানে চিকিৎসা নিতে এসে চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন গলাচিপার বাসিন্দারা।

কেবল তাই নয় ছাদের পলেস্তারা বা ইট বালু খসে কখনো কখনো রোগীর মাথাও ফেটেছে। কখনো কখনো আহত হয়েছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সিরা। তবুও প্রতিদিন ঝুঁকি মাথায় নিয়েই চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। বলছিলাম, পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৫০ শয্যা হাসপাতালের কথা।

বৃষ্টি দিনে এই ভবনের চিকিৎসা কার্যক্রমে যেন দূর্ভোগ আরও বেড়েছে। বৃষ্টিতে ভবনের চারদিকে পানিতে একাকার হয়ে যায় এবং চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভিজে যায়। ভিজে যায় বেড ও হাসপাতালের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ। বিচ্ছিন্ন হয় বিদ্যুৎ সংযোগ। আর এমন ভোগান্তি হতে রেহাই পেতে রোগী, নার্স ও চিকিৎসকদের দাবি, একটি নতুন ভবনের। তারা বলছেন— ভবনের অবস্থা খুব খারাপ। যে কোনো সময় খারাপ পরিস্থিতি হতে পারে।

তবে খুব দ্রুত নতুন অবশ্য ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এস.এম. শাহজাদা সাজু। তিনি বলেন, আমরা প্রকল্প প্রণয়নের জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আশা করি বাস্তবায়ন হলে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে নির্মিত ৩১ বেডের হাসপাতালটি ২০০৫ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এটি পটুয়াখালীর গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার ছয় লাখ মানুষের সেবার ভরসাস্থল।

Back to top button

Opps, You are using ads blocker!

প্রিয় পাঠক, আপনি অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করছেন, যার ফলে আমরা রেভেনিউ হারাচ্ছি, দয়া করে অ্যাড ব্লকারটি বন্ধ করুন।