অদ্ভুতুড়েআন্তর্জাতিকসন্দেশ

৫০ সন্তানের বাবা, তবুও থামতে চান না যুবক!

একজন মানুষ কি কখনও ৫০ সন্তানের বাবা হতে পারেন? তাও যদি হন মাত্র ৩০ বছর বয়সী যুবক! ভাবছেন এও কি সম্ভব? সম্ভব বৈকি! এমনই বিচিত্র ঘটনার জন্ম দিয়ে সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা কাইল জর্দি!

বয়স মাত্র ৩০। এর মধ্যেই হয়েছেন ৫০ সন্তানের বাবা। কিন্তু এখনই থামতে চান না তিনি! কাইলের দাবী, তিনি আরও ১৫ সন্তানের বাবা হতে যাচ্ছেন।

কাইল মূলত নিয়মিত শুক্রাণু দান করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাইল জানিয়েছেন, শুক্রাণু দান করাই তার নেশা ও পেশা। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, কাইলের দাবি, মাঝেমধ্যেই অনলাইনে বিভিন্ন দেশ থেকে সন্তানধারণে ইচ্ছুক নারীরা যোগাযোগ করেন তার সাথে। তবে বছর দুয়েক ধরে কেবল ফিলিপাইনের একটি নির্দিষ্ট ক্লিনিকেই নিজের শুক্রাণু দান করছেন তিনি। আইভিএফ (টেস্ট টিউব) পদ্ধতিতে তার শুক্রাণু ব্যবহার করে ওই ক্লিনিকটির সাহায্যে সন্তান গর্ভে ধারণ করছেন নারীরা।

আরও পড়ুন# আকাশে প্যারাশুট না খুলতে পেরে দুর্ঘটনায় মারা গেলেন টিকটক তারকা!

বীর্যে শুক্রাণুর ঘনত্ব যাতে না কমে যায়, সেজন্য রীতিমতো নিয়ম করে খাওয়াদাওয়া করেন কাইল। প্রতিদিন করেন শরীরচর্চা! প্রতিবার শুক্রাণু দান করার আগে ক্লিনিকের পক্ষ থেকে পরীক্ষা করা হয় তার দেওয়া শুক্রাণুর ঘনত্ব। কোনও যৌনবাহিত রোগ আছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। সব পরীক্ষার ফলাফল যথাযথ থাকলে তবেই নেওয়া হয় তার শুক্রাণু। তবে সাফল্যের সাথে তিনি প্রতিবারই উতরে গেছেন এসব পরীক্ষা!

পৃথিবীর অনেক দেশেই শুক্রাণু দানের মাধ্যমে সন্তান জন্মদান বৈধ। এসব দেশে সাধারণত শুক্রাণুদাতার পরিচয় গোপন রাখা হয়। তবে গোপনীয়তা পছন্দ নয় কাইলের। তিনি তার শুক্রাণু গ্রহীতা অর্থাৎ প্রতিটি সন্তানের মায়ের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখেছেন। তিনি তার প্রতিটি সন্তানকেই ভালোবাসেন, এমনটাই দাবি করেছেন কাইল!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button