টিপস এন্ড ট্রিকসফিচারলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল

প্রিয়জনকে প্রতিদিন চার বার জড়িয়ে ধরুন, কমান মৃত্যুঝুঁকি!

প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরতে কম বেশি সবাই পছন্দ করে থাকে। কেননা প্রিয়জন বা প্রিয় মানুষকে জড়িয়ে ধরলে যে প্রশান্তি মেলে তা আর কোথাও পাওয়া যায় না। মানসিক ভয়-ভীতি-উদ্বেগ কমানোর জন্য জড়িয়ে ধরার কোনো বিকল্প নেই। কেবল তাই নয়, এই জড়িয়ে ধরা বা আলিঙ্গন করা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও টেকসই করে। ভালোবাসা প্রকাশ করার বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। কেউ বিভিন্ন ভাষা ও শরীরী অঙ্গভঙ্গি দিয়ে প্রকাশ করে, আবার কেউ মুখে সরাসরি প্রকাশ করে, অথবা উপহার দিয়ে বা অতি আবেগে জড়িয়ে ধরে। আর এই জড়িয়ে ধরা কেবল প্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটায় না, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাছাড়াও প্রিয়জনের স্পর্শে মন ভালো হয়ে যায়। তবে প্রশ্ন হলো, সারা দিনে ঠিক কতবার জড়িয়ে ধরা উচিত! এর উত্তর হলো সুস্থ থাকতে প্রিয়জনকে প্রতিদিন চার বার জড়িয়ে ধরুন!

এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞ মনোবিদরা। তাদের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন গড়ে চার বার আলিঙ্গন প্রয়োজন। ক্ষতি নেই ৮ থেকে ১২ বার আলিঙ্গনেও৷ মনের মানুষের স্পর্শে স্ট্রেস, উদ্বেগ, ডিপ্রেশন-সহ মনখারাপের সব উপকরণ দূর হয়ে যায়। কেবল ডিপ্রেশন বা মানসিক কষ্টই দূর করে না। এছাড়াও প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরলে বা আলিঙ্গন করলে উচ্চরক্তচাপ, হাঁপানি, মধুমেহর, পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মৃত্যুবাহী রোগের ঝুঁকি কমে।

তাই যদি মনে কোনো কষ্ট থাকে বা মনে কোনো দুশ্চিন্তা হয় তবে আলিঙ্গন আপনার দাওয়াই হতে পারে৷। ফিরে পেতে পারেন ভালোবাসার তীব্র ইচ্ছা। আর যদি জড়িয়ে ধরার মতো আপনার প্রিয়জন না থাকে। তবে,পোষ্যদের সঙ্গে সময় কাটান। নাচের মাধ্যমেও অবসর কাটাতে পারেন। এছাড়া যোগাভ্যাস চর্চাও আপনাকে উৎফুল্ল রাখবে।

কিন্তু এমন নয় যে, প্রিয়জন মানে কেবল স্বামী বা প্রেমিক। প্রিয়জন হতে পারে আপনার বন্ধু, আপনার মা-বাবা, বোন বা ভাই বা অন্য কেউ। তাই যখনি কষ্ট পাবেন কাউকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরুন। দেখবেন মন হালকা হবে। অথবা আপনার আশেপাশের কেউ দুঃখ পেলে তাকে জড়িয়ে ধরুন। তার দুঃখ হালকা হবে। জড়িয়ে ধরার উপকারিতা আছে বলেই বিভিন্ন দেশে ফ্রি হাগ বা মুক্ত জড়িয়ে ধরা নামে একটি টার্ম প্রচলিত রয়েছে। যেখানে, আপনি একজন মানুষকে জড়িয়ে ধরতে পারবেন।

যাই হোক, আজকের মতো এখানেই। আশাকরি এই আর্টিকেলটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে এবং যদি এই আর্টিকেলটি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন। আর এই ধরনের আরও আর্টিকেল পেতে অনুলিপির সাথেই থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button