ফিচার

ঘুমের মধ্যে কথা বলার কারণ ও প্রতিকার।

আমাদের মধ্যে অনেকে আছি জারা রাতে ঘুমের মধ্যে কথা বলি আজ আমরা জানবো ঘুমের মধ্যে কথা বলার কারণ ও প্রতিকার ....

অনুলিপি ডেস্কঃ ঘুমের মধ্যে কথা বলার আমাদের মাঝে অনেকের ঘুমের মধ্যে কথা বলার অভ্যাস রয়েছে। নিজের অজান্তে অনেক আজেবাজে কথা বলে থাকি। কেউ চিৎকার করে, কেউ খুব ধীরে। কারও কথা আবার এতই জড়িয়ে যায়, যে তা পাশে শোয়া ব্যক্তিও উদ্ধার করতে পারে না।এরকমও হতে পারে, ঘুমের মধ্যে এমন কিছু বলে ফেললেন, যা খুব গোপনীয়। বা এমন কিছু বলে ফেললেন, যাতে আপনি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেলেন। ঘুমের মধ্যে কথা বলার অভ্যাস টা ছোট বড় সবার রয়েছে। আমরা অনেকেই জানি না এই সমস্যাটি কিভাবে সমাধান করবো। চলুন আজকে আমরা জানবো, ঘুমের মধ্যে কেন কথা বলি। এবং তা থেকে কিভাবে মক্তি পাবো।

ঘুমে কথা বলার সঠিক কারণটি এখনও বিজ্ঞানীরা জানতে পারেননি। তবে কেন কোনও ব্যক্তি ঘুমের মধ্যে কথা বলতে শুরু করে তা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিছু চিকিৎসকরা মনে করেন যে মস্তিষ্কে কোনও সমস্যা থাকলে ঘুমের মধ্যে কথা বলার সমস্যা হতে পারে। তবে অন্যান্য কারণে ঘুমের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। নিদ্রাহীনতা কী? ঘুমের মধ্যে কথা বলা বা বকবক করা একটি ঘুম সম্পর্কিত রোগ, যার মধ্যে একটি ব্যক্তি রাতে ঘুমের মধ্যে কথা বলতে শুরু করে এবং ব্যক্তি ঘুম থেকে ওঠার পরে কিছুই মনে রাখতে পারে না। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে যা বলে তা পাশের ব্যক্তিটি বুঝতে পারে না কারণ ঘুমের মধ্যে কথা গুলো জড়িয়ে যায় ও ব্যক্তির কন্ঠ পরিবর্তন হয়ে যায়। তাই পাশের ব্যক্তির সেই কথা গুলো বোঝার উপায় থাকেনা। চলুন ঘুমের মধ্যে কথা বলার কারণ ৪ ‍টি কারণ জেনে নিন

১.ভারী খাবার খাওয়া> গুমানোর পূর্বে যদি ভারি খাবার খেয়ে থাকেন। তাহলে আপনার ঘুমে সমস্যা হতে পারে। তার ফলে ঘুমের মধ্যে এলোমেলো কথা বলার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই ঘুমানোর পূর্বে বেশি খাবার খাবেন না।
২.ঘুমের সময় > ঘুমের নির্ধারিত সময় না থাকলে এই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। আবার দিনে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা ঘুমের স্থান পরিবর্তন করলেও ঘুমের মধ্যে ব্যাঘাত ঘটে আর ঘুমের মধ্যে মানুষ কথা বলে। তাই সকলের উচিত নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে যাওয়া।
৩.ওষুধের কারণে> যাদের বিভিন্ন রোগের জন্য শক্তিশালী ওষুধ খেতে হয় বা ওষুধ গ্রহণ করতে হয় তাদের শরীরে বেশকিছু পরিবর্তন হতে পারে। যাতে করে ঘুমের বা স্নায়বিক কোনো সমস্যা শুরু হয়। এতে করে ঘুমের মধ্যে এলোমেলো বকতে পারে মানুষ।
৪.মানসিক বা শারীরিক অসুস্থতা> যদি মানসিকভাবে জটিল কোনো সমস্যা থাকে সে ক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে কথা বলতেই পারে। আবার শারীরিক কোনো রোগ যেমন- জ্বর, কোথাও তীব্র ব্যথা, অনিদ্রার সমস্যা থাকলে মানুষ ঘুমের ঘরে কথা বলতে পারে।
ঘুমের মধ্যে কথা বলা বন্ধ করতে যা করতে হবে:

:ঘুমের মধ্যে কথা বলার কারণ ও প্রতিকার থেকে বাচার ওপাই জেনে নেই
১.প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে পারলে এ সমস্যা অনেকটা কমে যাবে।
২.পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন।
৩.রাতে ঘুমানোর আগে হালকা খাবার গ্রহণ করাই শরীর এবং ঘুমের জন্য ভালো।
৪.সন্ধ্যার পর চা-কফি পান না করা।

আরো পড়ুন: ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার একদম সহজ উপায় তাও আবার ঘরে বসেই

৫.মানসিক উদ্বেগের ফলে ঘুমের মধ্যে কথা বলার প্রবণতা দেখা যায়।
৬.মানসিক চাপ কমাতে ঘুরতে যান, প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান, নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
৭.হাতের স্মার্টফোনটি কিন্তু ঘুমের সময় নষ্ট করে। ঘুমাতে যাওয়াও কম হলেও একঘণ্টা আগে। ফোনটি হাতে নেওয়া যাবে না।
৮.পাশের কাউকে বলে রাখুন যদি নিয়মিতই এমন ঘুমের মধ্যে কথা বলতে থাকেন তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Back to top button

Opps, You are using ads blocker!

প্রিয় পাঠক, আপনি অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করছেন, যার ফলে আমরা রেভেনিউ হারাচ্ছি, দয়া করে অ্যাড ব্লকারটি বন্ধ করুন।