ইন্টারভিউ টিপস : কীভাবে ইন্টারভিউ দিলে চাকরি পাবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়?

ভালো ইন্টারভিউ চাকরি পাবার সম্ভাবনা অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়!

 অনুলিপির পোস্ট সবার আগে পড়তে গুগল নিউজে ফলো করুন 👈

আমরা মূলত চাকরির ইন্টারভিউ এর সাথেই বেশি পরিচিত। অধিকাংশ চাকরির ক্ষেত্রেই মৌখিক ইন্টারভিউ নেওয়া হয়, যা ভাইবা নামেও পরিচিত। তবে অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা স্কুল কলেজেও ইন্টারভিউ দেবার প্রয়োজন হতে পারে। কম বেশি সব মানুষের মাঝেই এই ইন্টারভিউ নিয়ে ভয় ভীতি কাজ করে। অনেকে তো এটা নিয়ে অনেক নার্ভাস হয়ে পড়েন। এটা সত্যি যে, একটা ভালো ইন্টারভিউ আপনাকে অবশ্যই এগিয়ে রাখবে অন্যদের চেয়ে। আপনি যদি খুব সুন্দরভাবে ইন্টারভিউ শেষ করতে পারেন তাহলে চাকরি পাওয়া কিংবা ভালো মার্কস প্রাপ্তির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে। আজ আসুন জেনে নিই- কীভাবে ইন্টারভিউ দিতে হবে সেই টিপস!

ইন্টারভিউ টিপস: কীভাবে ইন্টারভিউ দিলে চাকরি পাবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়?

ইন্টারভিউ বা ভাইবা যাই বলুন না কেন এর অর্থ সাক্ষাৎকার। মানে আপনি যে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দেবেন, তার জন্য আপনি কতটা উপযুক্ত তার প্রমাণ আপনাকে ইন্টারভিউতে পাঁচ থেকে দশ মিনিট সময়ের মধ্যে দিতে হবে। তাই ইন্টারভিউ প্রস্তুতি চাকরি পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইন্টারভিউ টিপস: কীভাবে ইন্টারভিউ দিলে চাকরি পাবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়?
ইন্টারভিউ টিপস: কীভাবে ইন্টারভিউ দিলে চাকরি পাবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়?

সবার আগে কোন কোন বিষয়ের দিকে নজর রাখতে হবে আর কী কী করতে হবে সেগুলো হলো-

১. উপযুক্ত পোশাক নির্বাচন:

কথায় বলে আগে দর্শনধারী, তারপর গুণ বিচারি— পুরোনো হলেও এ কথা এক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ইন্টারভিউয়ের পোশাক হতে হবে পরিষ্কার এবং পরিপাটি। কারণ পোশাক-পরিচ্ছদ আর অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। তাই রঙবেরঙ  পোশাকের চেয়ে হালকা রঙের পোশাক পরাই ভালো। তবে পোশাকের রঙ যাই হোক, সাদা বা নীল, অবশ্যই তা যেন কুঁচকানো না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুরুষ বা নারী যেই হন না কেন পোশাকে যেন একটি অফিশিয়াল লুক থাকে। বর্তমানে অনেক কোম্পানিই অফিসিয়াল পোশাক ছাড়াও ক্যাজুয়াল পোশাকেও ইন্টারভিউ নিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে অফিসিয়াল পোশাক ব্যতীতও যেতে পারেন।

২. পর্যাপ্ত পড়াশুনা করা:

যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ইন্টারভিউ দেবার আগে সেই কোম্পানি সম্পর্কে ভালোভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। ইন্টারনেট কিংবা সংশ্লিষ্ট কারো থেকে আপনি খুব সহজেই এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। ইন্টারভিউ এর আগে আপনাকে ভাবতে হবে কোম্পানিকে আরও উন্নত করতে হলে কী ধরনের পরিশ্রম ও কর্মী দরকার সে সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে হবে। নিজের নাম , নামের অর্থ, পদবী ও এর উৎস, ঠিকানা, জায়গার নাম ও নামের কারণ ইত্যাদি সাধারণ প্রশ্নের উত্তরগুলি রেডি রাখতে হবে। বাড়িতে কয়েকজন গ্রুপ করে মক ইন্টারভিউ দিতে হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা অভ্যাস করলে খুব ভালো হয়।

ইন্টারভিউ এর জন্য পর্যাপ্ত পড়াশুনা জরুরি
ইন্টারভিউ এর জন্য পর্যাপ্ত পড়াশুনা জরুরি

৩. যথাসময়ে উপস্থিত হন:

ইন্টারভিউ এর ক্ষেত্রে সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার সময়নিষ্ঠতার একটি উদাহরণ হতে পারে ঠিক সময়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার উপস্থিতি। চেষ্টা করবেন নির্ধারিত সময়ের ১৫/২০ মিনিট আগেই যেন পৌঁছাতে পারেন।

৪. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগের রাতেই গোছানো:

ইন্টারভিউ বোর্ডে যাবার আগে অবশ্যই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নিন। কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন-

ক. একটি ফাইলে কাগজপত্রগুলি পরপর সাজিয়ে রাখুন। যাতে বের করতে সুবিধা হয়।

খ. পলিথিনের ব্যাগে কাগজপত্র বয়ে নিয়ে গেলে ইন্টারভিউ যাঁরা নেবেন তাঁদের কাছে আপনি হেয় প্রতিপন্ন হতে পারেন। এজন্য সব কাগজ সুন্দরমতো একটা ফাইলে রাখুন।

গ. কোনো কাগজপত্র নিজে থেকে দেখাবেন না, চাইলে পরে তবেই কাগজপত্র দেখান।

ঘ. ইন্টারভিউ শেষে সমস্ত কাগজপত্র ফেরত নিতে ভুলবেন না।

ঙ. নিজের কাগজ পত্র সিরিয়ালি সাজিয়ে রাখতে হবে আগে থেকেই। প্রয়োজনীয় কপি করে , স্বাক্ষর করে সেট করে রাখা প্রয়োজন।

চ. না চাইলেও সাধারণ কিছু ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখুন। যেমন: সব ধরনের অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট, নিজের কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতার নমুনা, CV ও ছবি।

৫. ইন্টারভিউ কক্ষে কীভাবে প্রবেশ করবেন:

ইন্টারভিউ কক্ষে বা ইন্টারভিউ রুমে প্রবেশ করার আগে দরজায় করাঘাত করে তবে ঢুকুন। এক্ষেত্রে একটু সাবধান থাকবেন। দরজায় নক করা যেন খুব বেশি জোরে না হয়ে যায়, জোরে নক করলে শুরুতেই ইন্টারভিউ কর্তাদের মনে আপনাকে নিয়ে একটা বাজে মনোভাব সৃষ্টি হবে। আবার একদম আস্তেও করবেন না যেন তারা শুনতেই না পায়। কক্ষে প্রবেশ করে আস্তে করে দরজা ভেজিয়ে দেবেন, এটা খুবই সাধারণ ভদ্রতা। ঢুকেই খুব মোলায়েম ভাবে আসসালামু আলাইকুম অথবা গুড মর্নিং, গুড আফটারনুন ইত্যাদি সময় অনুসারে বলতে হবে। সবার দিকে তাকিয়ে স্বাভাবিক আই কন্টাক্ট করুন। আগেই বসবেন না। বসতে বলার অপেক্ষা করুন। কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। এরপরেও যদি বসতে না বলে থাকেন, আপনি মোলায়েম ভাবে বলবেন ‘বসতে পারি’ অর্থাৎ অনুমতি নিয়ে বসবেন।

৬. আত্মবিশ্বাস:

আত্মবিশ্বাসী মানুষের ঘাড় উঁচু মাথা উঁচু থাকে। আর কথা বলার ভঙ্গিমাতেও আত্মবিশ্বাস ফুটে ওঠে। ইন্টারভিউতে প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় চোখে চোখ রেখে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিতে হয়। এমনকি কনফিউজিং প্রশ্নের উত্তরে ‘আমি ঠিক জানি না উত্তরটা’ এমন উত্তরগুলোতেও আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ থাকবে। অর্থাৎ এটা আমি ভালোভাবে জানি, এটা যেমন আত্মবিশ্বাস আবার এটা আমি জানি না সেটাও কিন্তু আত্মবিশ্বাসই প্রকাশ করে। তবে এক্ষেত্রে যদি কোনো উত্তর না জানেন তবে হুট করেই না করে বসবেন না, কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে তারপর কিছুটা নরম সুরে বলবেন ‘উত্তরটা আমার জানা নেই’। তবে এতে লজ্জিত হবার কারণ নেই, কেন না পৃথিবীর সব প্রশ্নের উত্তর আপনি পারবেন এমনটা নয়। এমনকি আপনার প্রশ্নকর্তারাও সব প্রশ্নের উত্তর পারবে না।

নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত
নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত

৭. প্রশ্নকর্তাদের প্রশ্ন করা:

অনেক সময় ইন্টারভিউ শুরু করার আগে প্রশ্নকর্তারা জিজ্ঞাসা করতে পারে , তোমার কোন প্রশ্ন আছে কিনা। এক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলবেন, I do have  some questions, I would like to save them for later. আর কী কী প্রশ্ন করবেন সেটা অবশ্যই আগে থেকে সেট করে নিয়ে যাবেন। যদি একাধিক জনের সাথে ইন্টারভিউ থাকে, তবে প্রত্যেককে কমপক্ষে দুইটা করে প্রশ্ন জিগ্যেস করবেন। এবং একই প্রশ্ন একাধিক জনরে জিজ্ঞাসা না করার চেষ্টা করবেন। তবে আমি যেসব প্রশ্ন করার চেষ্টা করি, তারমধ্যে, What makes you excited to come here every day? বা Other than individual efforts how team and company environment helps you to learn and grow? ইত্যাদি। আর টেকনিক্যাল প্রশ্নও করতে পারেন।

৮. কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে যোগ্য করা:

একটা কোম্পানি দেখতে চায় ওদের এই পজিশনের জন্য যে যে স্কিল বা এক্সপেরিয়েন্স লাগবে সেটা আপনার আছে কিনা। বা না থাকলে আপনি দ্রুত শিখে নিতে পারেন কিনা। আপনি ভালো টিম মেম্বার কিনা। স্ট্রেস হ্যান্ডেল করতে পারেন কিনা। নিজে নিজে রাইট ডিসিশান নিতে পারেন কিনা। আপনার এক্সট্রা কোন স্কিল বা ট্যালেন্ট আছে যেটা ওদের টিমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সর্বশেষ, আপনি কলিগ হিসেবে ওদের সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে পারবেন এবং সঠিক সময়ে কাজ শেষ করতে পারবেন সেটার জন্য আপনার উপর নির্ভর করা যায়। এই জিনিসগুলা প্রুভ করতে না পারলে ওরা আপনাকে নিবে না। বা নিলেও দুই দিন পর ছাটাই করে দিবেন।

১০. পজিটিভ কথা বলা:

সবসময় মনে রাখতে হবে মানুষ সেই ব্যক্তিকেই পছন্দ করে , যে পজিটিভিটি ছড়ায়। তাই ইন্টারভিউতে যত ধরনের কথাই হোক না কেন, তাতে কিন্তু পজিটিভ একটা দিক যেন থাকে— সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এটা তারা পরীক্ষাও করে থাকেন যে ক্যান্ডিডেট কতটা আশাবাদী। নেতিবাচক উত্তর কনোই কাম্য নয়। একবার দুজনকে একই প্রশ্ন করা হয়েছিল যে , ‘ধরুন আপনার চাকরিটা হলো না, আপনি তখন কী করবেন?’ এর উত্তর দুজন দুরকম দেন। প্রথম জন বলেন, ‘চাকরি না হলে কী আর কখব, আমার কপালে যা আছে তাই হবে।’ আর দ্বিতীয়জন বলেন, ‘কেন ধরতে যাব। আমি আমার জব পাবার ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।’ এবার আপনারাই ভাবুন, কার জবটা হবে।

ইন্টারভিউ টিপসঃ কিভাবে ইন্টারভিউ দিলে চাকরি পাবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়
ইন্টারভিউ তে নিয়ন্ত্রণ হারাবেন না, সহজ স্বাভাবিক থাকুন

১১. কঠিন মুহুর্তে নিজের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখা:

প্রশ্নকর্তারা অনেক সময় ইচ্ছে করেই, আপনাকে প্রশ্ন করার সময় সব তথ্য দেবে না। দেখতে চাইবে, আপনি পুরো সিচুয়েশন সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা নিয়ে, উত্তর দেওয়া শুরু করেন। নাকি, না বুঝেই হাফ-ঝাপ মেরে কাজ শুরু করেন আর মাঝপথে গিয়ে গুবলেট পাকিয়ে ফেলেন। তাই উত্তর দেওয়ার আগে, সম্পূরক প্রশ্ন করে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করতে হবে। ধরেন, আপনাকে জিজ্ঞেস করল, একটা বাড়িতে কয়টা শোবার ঘর থাকা উচিত। আপনি ফুস করে বলে দিতে পারেন ৩ টা (একটা স্বামী-স্ত্রীর জন্য, একটা ছেলে মেয়ের জন্য, আরেকটা গেস্টরুম )। কিন্তু তারপর সে যদি বলে, আমি আসলে গেস্ট হাউজ বা সামারে অবসর কাটানোর রিসোর্ট বা অন্য কিছু বানাব। তাহলে আপনার উত্তর কিন্তু ভুল হয়ে গেল। তাই, আন্দাজে উত্তর দেওয়ার আগে, সম্পূরক প্রশ্ন করে, ক্লিয়ার ধারণা নিলে, উত্তর সঠিক হবার চান্স বেশি থাকে। এবং সঠিক প্রশ্ন আগে জিজ্ঞাসা করতে পারাটা অনেক বড়ো একটা গুণ, যেটা অনেক কোম্পানি দেখতে চায়।

অনেক সময় এমন একটা প্রশ্ন করে বসে। যেটা আপনার পেটে আছে কিন্তু মুখে আসতেছে না । আরেকটু সময় দরকার চিন্তা করার। তখন কেউ কেউ, Let me think বলে ৩০ সেকেন্ড বা সর্বোচ্চ ১ মিনিট সময় নেয়। কোনো অবস্থাতেই তিন-চার মিনিট সময় নেওয়া যাবে না। আরেকটা ট্রিকস হচ্ছে, ইন্টারভিউ যে নিচ্ছেন তাকে বলা, আপনার প্রশ্নটা Interesting, can you explain little more, এইটা বললে প্রশ্নকর্তা যখন ব্যাখ্যা করবে, তখন আপনি একটু চিন্তা করার বাড়তি সময় পেয়ে গেলেন।

১২. প্রশ্নকর্তার ভুল ধরা বা প্রশ্নের মাঝখানে থামানো যাবে না:

প্রশ্নকর্তাকে প্রশ্নের মাঝে বাধা প্রদান করা যাবে না। প্রশ্ন পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগে তাকে থামানো বেশ গুরুতর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। তার ভুল ধরতে যাবেন না। দুই একজন প্রশ্নকর্তা ইচ্ছে করে ভুল বা ট্রিক-মার্কা কোনো প্রশ্ন করে, আপনার প্রতিক্রিয়া দেখতে চাইবে। আপনি যদি নিশ্চিত হোন যে, সে ভুল প্রশ্ন করেছে। তারপরেও বলবেন, আমার মনে হচ্ছে, আমি ওইখানে অন্যরকম কিছু একটা দেখছি। বা আমার মনে হচ্ছে এই রকম কিছু একটা। তবে, আপনি এখন যেটা বলতেছেন, সেটা ইন্টারেস্টিং, আমি চেক করে দেখব।

১৩. আপনাকে আমরা কেন নিয়োগ দেবো:

মূলত ইন্টারভিউ এর শেষদিকে এই প্রশ্ন করতে পারে। এক্ষেত্রে খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বুঝাতে হবে যে আপনি এই কোম্পানির এই পদের কাজটি করতে খুব আগ্রহী, আপনার মনে হয়েছে এই কাজটি আপনার জন্য উপযুক্ত, আপনার মনে হয়েছে এই কোম্পানি সামনে উন্নতি করবে ইত্যাদি। তবে এক্ষেত্রে সতেচনভাবে উত্তর দেওয়া উচিত।

১৪. কেমন বেতন প্রত্যাশা করেন:

কমবেশি সব ইন্টারভিউতে এমন প্রশ্ন করতে পারে। এক্ষেত্রে ওই পোস্ট, কোম্পানি, আপনার দক্ষতা-অভিজ্ঞতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্যালারি চাইবেন। তবে খুব বেশি কিংবা কম চাইবেন না। আবার এটাও বলবেন না আপনাদের যা ইচ্ছা।

১৫. বের হয়ে আসা:

পুরো ইন্টারভিউ ভালোমতো দিলেও শেষের টুকু ভালো না হলে পুরো ইন্টারভিউ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন আপনি কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসার পরেই প্রশ্নকর্তারা নিজেদের মধ্যে কথা বলে ঠিক করবে আপনি চাকরি পাচ্ছেন নাকি পাচ্ছেন না। তাই শেষটাও সুন্দর করা জরুরি।

ইন্টারভিউ শেষ হলে প্রশ্নকর্তারা যখন বলবে আপনি এখন যেতে পারেন। তখন সুন্দর করে হাসি দিয়ে তাদের সবার উদ্দেশ্যেই ধন্যবাদ জানিয়ে বের হয়ে আসবেন। সাথে সালামও ব্যবহার করতে পারেন। আসার সময় আস্তে করে দরজাটাও লাগিয়ে দিয়ে আসবেন।

আরও পড়ুন:

> কীভাবে ব্লগিং শুরু করবেন?
> ফ্রেশাররা কীভাবে চাকরির দরখাস্ত লিখবেন?

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button

Adblock Detected

Dear Viewer, Please Turn Off Your Ad Blocker To Continue Visiting Our Site & Enjoy Our Contents.