প্রযুক্তিফিচারবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কেন হয় মোবাইল ফোনের জ্যামিং?

বর্তমানে এই ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল স্মার্ট প্রযুক্তি, অ্যান্ড্রয়েড-গ্যাজেটের চলছে জয়-জয়কার যুগ। বিশ্বায়নের এই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে যেন স্মার্টফোন অ্যান্ড্রয়েড এর বিকল্প নেই। আর এখন উচ্চবিত্ত হতে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, সবার হাতে হাতেই ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্মার্টফোন, মোবাইল ফোন। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়েছে প্রযুক্তি।

অতীতে মোবাইল ফোন কেবল কথা বলার যন্ত্র হলেও, বর্তমানে মোবাইল ফোন ভূমিকা রাখছে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে। এক মোবাইল ফোন, কারও কাছে প্রেম, আবার কারও কাছে জীবকা নির্বাহের পথ্য। আওয়ামী সরকার শেখ হাসিনার হাত ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ায় এই সময় ঝড়ের বেগে হু হু করে বেড়েই চলছে অ্যান্ড্রয়েড, মোবাইল ফোনের প্রবল বিস্তার। বেড়ে চলছে গ্রাহকের সংখ্যাও। আর সব গ্রাহকই চায় ঝক্কিবিহীন সেবা। যেন যেকোনো স্থানে খুব সহজে কথা বলা যায়, শোনা যায়, ব্যবহার করা যায়। এরই প্রেক্ষিতে নেটওয়ার্ক বাড়াতেও প্রতিনিয়ত ব্যস্ত সব অপারেটর। তারপরও দেখা যায়, মোবাইল ফোনের জ্যামিং। তো চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক, কেন হয় মোবাইল ফোনের জ্যামিং?

• জ্যামিং কী?

প্রত্যেকটা মোবাইল অপারেটরই চায় দেশের সব জেলাগুলোতে যেন নিজের নেটওয়ার্ক মজবুত থাকে। কেন না, অন্যান্য অপারেটর হতে নিজেদের এগিয়ে রাখতে হবে, হারাতে চায় না গ্রাহকদের। তবুও দেখা যায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গ্রাহক একদম মোবাইল ফোন বেইজ স্টেশনের কাছাকাছি থেকেও পাচ্ছে না পর্যাপ্ত নেটওয়ার্ক। কথা বলতে গেলেই কল ড্রপ করছে। বর্তমানে সব মোবাইল অপারেটরগুলোই ডিজিটাল প্রযুক্তি জিএসএস, আধুনিক জিপিআরএস, এজসহ নানা ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে। আর জিএসএম প্রযুক্তি হলো সম্মলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস প্রক্রিয়া। বাংলাদেশে বর্তমানে টেলিটক, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবিএয়ারটেল অপারেটর এই জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। জিএসএম প্রযুক্তি সারাবিশ্বেই বেশ জনপ্রিয়। প্রায় ২১৮ টি দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে এই প্রযুক্তি। কিন্তু এরপরও রয়েছে বেশকিছু অসুবিধা। অনেক ক্ষেত্রেই পাওয়া যায় না নেটওয়ার্ক, যেমন: হলরুম, রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হল, কনসার্ট মাঠ, শপিং মল, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়সহ, ইত্যাদি জায়গায়। এর অবশ্য অন্যতম কারণ হলো একই সময়ে অনেক মানুষ একত্রে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা। আর এই যে এক স্থানে একত্রে অতিরিক্ত মানুষ একসাথে একটি মাত্র ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে, ফলে সৃষ্ট হয় সেল ফোন ‘জ্যামিং’

আরও পড়ুন# স্যামসাং স্মার্টফোন দিচ্ছে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক!

• বাংলাদেশে জ্যামিং—

বাংলাদেশে আগে এই মোবাইল ফোন জ্যামিং এবং জ্যামার ব্যবহার সম্পর্কে শোনা যায়নি। তবে বেশ কয়েকবছর আগে নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের তিন সদস্যকে মোবাইল জ্যামারসহ গ্রেপ্তার করেছিল গোয়েন্দা পুলিশ। যে সংগঠনের নাম ছিল, ‘জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবি’। তখন সেই সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা মূলত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতেই ব্যবহার করত মোবাইল জ্যামার। এছাড়াও রাজধানীর কাকরাইলে ২০১৮ সালে তাবলিগ জামাতের মারকাজ মসজিদে এক প্রকৌশলী গোপনে বসিয়েছিল জ্যামার, যাতে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়। সেই প্রকৌশলী এলিফ্যান্ট রোডের একটি দোকান হতে দুটি জ্যামার সংগ্রহ করেছিল এবং সেই জ্যামার দুইটি মারকাজের দক্ষিণ পাশের ভবনের তৃতীয় তলায় দুইটি রুমে লাগিয়েছিল। তখন পুলিশ জানায়, বড়ো ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যেই বসানো হয়েছিল এমন জ্যামার। এই নিয়ে অবশ্য তখন রমনা থানায় মামলাও হয়। তারপর মাঝে মধ্যেই রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন সময় এসব বিঘ্ন তৈরি করা জ্যামারের সন্ধান মেলে এবং বিভিন্ন অভিযানও চালানো হয়। অপরাধীদের গ্রেফতারও করা হয়।

• জ্যামার বুস্টার ও রিপিটার—

অভিযান ও গ্রেপ্তারের পরও বর্তমানে দেখা যায়, হুটহাট কল ড্রপ হচ্ছে। নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়ছে নিরাপত্তা সংকট। এই নিয়ে সম্প্রতি গবেষণার তথ্য দিয়েছেন অপারেটরা। তারা বলেন, দিন দিন বাড়ছে জ্যামার, রিপিটার ও বুস্টারের ব্যবহার। ঢাকায় প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হচ্ছে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে এসব জ্যামার, বুস্টার ও রিপিটারের। যার ফলে দিন দিন মোবাইল সেবায় দেখা দিচ্ছে সমস্যা। আর নেটওয়ার্ক ঠিক রাখতে আদা জল খেতে হচ্ছে মোবাইল অপারেটরদের। কেবল ব্যবহারই বাড়ছে না, সাথে বাড়ছে নিরাপত্তার ঝুঁকি।

আরও পড়ুন# কেন অ্যাপলের লোগো অর্ধেক খাওয়া?

এই ঘন ঘন কল ড্রপ বা নেটওয়ার্ক না পাওয়ার ঘটনায় অপারেটররা মাঠ পর্যায়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। আর সেই গবেষণার ফল বেশ দুশ্চিন্তার বটে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে— জ্যামার, বুস্টার ও রিপিটার। অনেকে বুঝে ব্যবহার করছেন, আবার অনেকে না বুঝেই ব্যবহার করছেন। এক্ষেত্রে অপরাধীরা নিজেদের ফোনের কথা গোপন রাখতে ব্যবহার করে থাকে জ্যামার। আর এই নিয়ে অপারেটরা স্বীকার করেন যে, এসব অবৈধভাবে ব্যবহৃত জ্যামার, বুস্টার ও রিপিটার হওয়ায় অসংখ্য মোবাইল অপারেটর গ্রাহক পড়ছেন ভোগান্তিতে।

• জ্যামার কীভাবে কাজ করে?

আমাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনগুলো মূলত একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকল ও ফ্রিকোয়েন্সিতে নিকটস্থ টাওয়ারের সাথে যুক্ত থাকে। আর মোবাইল টাওয়ারের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির পাশাপাশি একটি কোডও পাঠায়। তো, টাওয়ার মোবাইল হতে প্রাপ্ত সেই কোড ডিকোড এবং ভেরিফাই করে। এরপর, ফোনকে একটি ফিরতি কনফারমেশন বার্তা পাঠায়। আর অনুমতি পেলেই মোবাইল যোগাযোগ করার জন্য প্রস্তুত হয়। এখন ধরুন, আপনি ফোনে কথা বলতে বলতে যদি এমন কোথাও চলে যান, যেখানে জ্যামার বসানো আছে। তাহলে নিমিষেই হুট হাট আপনার কল ড্রপ করবে। ফোনে লেখা ওঠবে ‘নো সিগন্যাল’।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এমন কেন হয়? যদি সহজভাবে বলি তবে, জ্যামার হলো আমাদের মোবাইল নকল করে প্রায় একই ফ্রিকোয়েন্সির রেডিয়ো সিগন্যাল সৃষ্টি করে। এর ফলে মোবাইলে সাথে টাওয়ারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। আর বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ডিনাইয়েল অব সার্ভিস অ্যাটাক’। মূলত দুইটি ওয়েভ পথ চলতে চলতে কোনো এক স্থানে এদের মধ্যে ক্রেস্ট এবং ট্রফ মিলে যায়, আর এর ফলাফল হয় সংযোগ বিচ্ছিন্ন।

আরও পড়ুন# এবার বাজারে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে ছোটো স্মার্টফোন!

• টাওয়ারের সাথে যোগাযোগ বিঘ্ন ঘটায় কখন?

গবেষকদের মতে, আমাদের ব্যবহৃত সেল ফোন হলো একটি দ্বি-মুখি রেডিয়ো। এর জন্য সাধারণ রেডিয়োর মতোই এই ফোনের সিগন্যালও বাধাগ্রস্ত বা জ্যাম হতে পারে। আর অন্যান্য রকমের রেডিয়ো কমিউনিকেশনে জ্যামিং এর মতোই মোবাইল ফোনেও বিঘ্ন ঘটে থাকে। সাধারণত একটি সেল ফোনের টাওয়ার বা বেইজ স্টেশনের চারদিকেই থাকে নেটওয়ার্ক ফ্রিকোয়েন্সি। যে ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে সেল ফোন যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। আর এই টাওয়ারগুলো একটা শহর বা অঞ্চলকে কয়েকটা সেলে বিভক্ত করে বসানো হয়। তো, যখন ব্যবহারকারী এক রাস্তা হতে অন্য রাস্তায় যায়, তখন সিগন্যালও এক টাওয়ার হতে অন্য টাওয়ারে স্থানান্তর হয়। এই সেলফোন জ্যামিং ঘটার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত ব্যবহারকারী। আর বিশেষ ধরনের জ্যামিং ডিভাইসের কথা তো আগেই জেনেছি। তবে এই জ্যামিং ডিভাইস ফোন ও ফোন বেইজ স্টেশন। এরা টাওয়ারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ফোনের মতোই রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি ট্রান্সমিট করে। আর একেই বলাই হয়ে থাকে ‘অফ সার্ভিস অ্যাটাক। সেলফোন ব্যবহারকারীদের তার রেঞ্জের মধ্যে রেডিও স্পেকট্রাম প্রবাহে বাধা প্রদান করে এসব জ্যামিং ডিভাইস।

• জ্যামিং ডিভাইস কীভাবে কাজ করে?

মূলত জ্যামিং ডিভাইস একই ফ্রিকোয়েন্সিতে অধিক ক্ষমতার সিগন্যাল পাঠায়। এর ফলে দুইটি সিগন্যাল একে অপরের সাথে ধাক্কা খায় এবং একে অপরকে বন্ধ করে দেয়। তো আমাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন তৈরি করা হয় এমনভাবে যাতে নিম্ন মানের বিঘ্ন ঘটলে আরও শক্তিযুক্ত ক্ষমতা বাড়াতে পারে। আর জ্যামিং ডিভাইস এই বিষয়টা আগে থেকে বুঝেই, ফোনের চেয়েও অধিক ক্ষমতার সিগন্যাল ডেলিভারি করে। তখন ফোনগুলো ফুল ডুপ্লেক্স ডিভাইস হয়ে যায়। এর মানে হলো, এটি দুইটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে। অন্যদিকে, জ্যামার কেবলমাত্র একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করতে সক্ষম। আর যেটা ফোনের উভয় ফ্রিকোয়েন্সিতেই প্রভাব বিস্তার করে।

সেলফোনকে জ্যাম করার জন্য দরকার পড়ে কেবল একটি ডিভাইসের, যা সঠিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্রডকাস্ট করে। যদিও আলাদা আলাদা সেলুলার সিস্টেম আলাদা আলাদা সিগন্যালে চলে। এরপরও সব সেলফোনেই নেটওয়ার্কই রেডিয়ো সিগন্যাল ব্যবহার করে। তাই এটা সবগুলোকেই বিঘ্ন ঘটাতে পারে। এছাড়াও ডিজিটাল সেলুলার ফোন জিএসএম নির্ভর। এই সিস্টেমে থাকে ৯০০/১৮০০ বা ১৯০০ বা ততোধিক মেগাহার্জ ব্যান্ড। এএমপিএস, সিডিএমএ, টিভিএমএ, জিএসএম পিসিএস, ডিসিএস, আইডিইন এবং নেক্সটেল সিস্টেমে যেকোনো ফ্রিকোয়েন্সিতে জ্যামার জ্যামিং করতে সক্ষম। পাহাড়, উঁচুতলা ভবনের দেয়ালেও জ্যামিং সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের পরিবেশ ও শক্তির ওপরই নির্ভর করে মূলত জ্যামার এর সঠিক আয়তন। নিম্ন শক্তির জ্যামার ৩০ ফুট দূরত্বের চারপাশে কাজ করে। উচ্চ শক্তির জ্যামার ১০০ ফুটের মধ্যে কাজ করে থাকে। আজকাল পকেট জ্যামারও পাওয়া যায়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যেসব জ্যামিং ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন তা দিয়ে ১.৬ কিলোমিটার পর্যন্ত সেলফোন সেবা বন্ধ করা সম্ভব।

আরও পড়ুন# কম্পিউটারে মুছে যাওয়া তথ্য ফিরে পাওয়ার কার্যকরী উপায়!

সেলফোন জ্যামার সম্পর্কে ‘ইনসাইড ইলেক্ট্রনিক্স’ এর ভাষায় বলতে গেলে- জ্যামার খুবই সাধারণ একটি ডিভাইস। শুধু অন/অফ সুইচ এবং এলইডি লাইট জ্বলাতে এর চালু থাকা বোঝা যায়। কিছু জটিল ডিভাইসে ভিন্ন ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সিতে জ্যামিং করার জন্য সুইচ রয়েছে। প্রতিটি জ্যামিং ডিভাইসে রয়েছে সিগনাল পাঠানোর জন্য অ্যান্টেনা। ছোটো জ্যামিং ডিভাইস ব্যাটারিতে চলে। কিছু আবার সেলফোনের মতো দেখতে সেগুলো সেলফোনের ব্যাটারিতে চলে। রেড ডিভাইসে স্ট্যান্ডার্ড পাওয়ার আউটলেট রয়েছে যা গাড়ির ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পায়। প্রশ্ন হচ্ছে, জ্যামার কীভাবে বোঝে আমাদের ফোনের ফ্রিকোয়েন্সি কেমন? বিভিন্ন নেটওয়ার্ক যেমন টুজি, ত্রিজি, ফোরজি, ওয়াইফাই ইত্যাদিও জন্য জ্যামারের অ্যান্টেনাগুলো সেই অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড তৈরি করে। যাতে ব্যবহারকারী যেই নেটওয়ার্কের হোক না কেন জ্যামার ফোনের ফ্রিকোয়েন্সিকে কবজা করে ফেলে।

• মোবাইল ফোনের জ্যামার কোথায় ব্যবহার হয়?

মোবাইল ফোনের জ্যামার সাধারণত জনগণের ব্যবহার করার অনুমতি নেই। জ্যামার উদ্ভাবন করা হয়েছিল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চরম দাগী আসামী, জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মিশনে। এর ফলে মুক্ত অবস্থায় অপরাধী কোথায় কী করছে! কোন স্থানে অবস্থান করছে এসব জানা যায়। এছাড়াও বিপদজ্জনক এড়িয়াতে যদি বিস্ফোরক থাকে তবে সেখানে রেডিয়ো ট্রান্সমিশন ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে। এইজন্য ওসব স্থানে জ্যামিং ব্যবহার করা হয়।

বর্তমানে আধুনিক বেশ কিছু জ্যামিং ডিভাইস আবিষ্কৃত হয়েছে। যে ডিভাইসগুলো ৮ কিলোমিটার রেডিয়াসে সেলুলার সিগন্যাল বন্ধ করতে পারে। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, জ্যামিং ডিভাইস ব্যবহার করে কারও ফোন জ্যাম করা হলে ব্যবহারকারীরা ঠিকই বুঝতে পারে। কেন না, ফোন শুধু শো করবে নো সার্ভিস বা নো সিগন্যাল।

যাই হোক, আজকের মতো এখানেই। আর আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন এবং এই ধরনের আরও আর্টিকেল পেতে অনুলিপির সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button